জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক শ্রী ভূপতি ভূষণ চৌধুরী ওরফে মানিক চৌধুরীর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা গত ৩০ জুন মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী হলে সাংস্কৃতিক সংগঠক মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ পরিষদের সদস্য সচিব যদু গোপাল বৈষ্ণব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাক্তন সংসদ সদস্য, প্রবীণ রাজনীতিবিদ মো. ইছহাক মিয়া। বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ আশরাফ খান, বিশিষ্ট মানবাধিকার সংগঠক ও আইনজীবী রানা দাশগুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাসুম চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সংগঠক ডা. বিধান মিত্র, গণতন্ত্রী পার্টির মহানগর সহ-সভাপতি স্বপন সেন, চেতনা সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট চির্ম্মল শর্মা ও সন্দ্বীপনা সংস্কৃতিক ফোরামের মহাসচিব ভাস্কর ডি.কে দাশ মামুন। প্রধান অতিথি ইছহাক মিয়া বলেন, মানিক চৌধুরী ’৬২ থেকে ’৭১ পর্যনত্ম বাঙালির স্বাধীনতা অর্জনে যে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন তা জাতির ইতিহাসে চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে। আইনজীবী রানা দাশগুপ্ত বলেন, শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানিক চৌধুরীর ত্যাগের ইতিহাসকে এ প্রজন্মের ছেলেদেরকে জানাতে হবে তবেই স্বাধীনতার ইতিহাস পূর্ণাঙ্গ হবে।
সুপ্রভাত রাউজান
বিভূতি ভূষণ চৌধুরী প্রকাশ মানিক চৌধুরী ছিলেন রাজনীতির প্রবাদ প্রতিম ব্যক্তিত্ব। স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, আওয়ামী রাজনীতি, বঙ্গবন্ধুর সাহচর্য এবং বাংলার অর্থনৈতিক মুক্তিসহ প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে কার্যক্রমে মানিক চৌধুরীর ছিল সক্রিয় অংশগ্রহণ ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। তার অনন্য অনস্বীকার্য অবদান জাতি কখনও ভুলতে পারে না। তাই চট্টগ্রামের এ মহান ব্যক্তিত্বকে জাতীয় বীর ঘোষণা দেয়া ও চট্টগ্রামের শাহ আমানত সংযোগ সেতু সড়কের নাম মানিক চৌধুরীর সড়ক নামকরণের দাবি চট্টলাবাসীর। সুপ্রভাত রাউজান’র উদ্যোগে আয়োজিত মানিক চৌধুরীর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনায় বক্তারা একথা বলেন।
সুপ্রভাত রাউজান’র উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট কলনী দেব চৌধুরীর সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াপাড়া ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, বিজয় লক্ষী দেবী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আরিফ চৌধুরী, ছাত্রনেতা বিপ্লব দাশগুপ্ত। খবর প্রেস বিজ্ঞপ্তির।
সূত্রঃ দৈনিক আজাদী
সুপ্রভাত রাউজান
বিভূতি ভূষণ চৌধুরী প্রকাশ মানিক চৌধুরী ছিলেন রাজনীতির প্রবাদ প্রতিম ব্যক্তিত্ব। স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, আওয়ামী রাজনীতি, বঙ্গবন্ধুর সাহচর্য এবং বাংলার অর্থনৈতিক মুক্তিসহ প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে কার্যক্রমে মানিক চৌধুরীর ছিল সক্রিয় অংশগ্রহণ ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। তার অনন্য অনস্বীকার্য অবদান জাতি কখনও ভুলতে পারে না। তাই চট্টগ্রামের এ মহান ব্যক্তিত্বকে জাতীয় বীর ঘোষণা দেয়া ও চট্টগ্রামের শাহ আমানত সংযোগ সেতু সড়কের নাম মানিক চৌধুরীর সড়ক নামকরণের দাবি চট্টলাবাসীর। সুপ্রভাত রাউজান’র উদ্যোগে আয়োজিত মানিক চৌধুরীর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনায় বক্তারা একথা বলেন।
সুপ্রভাত রাউজান’র উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট কলনী দেব চৌধুরীর সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াপাড়া ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, বিজয় লক্ষী দেবী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আরিফ চৌধুরী, ছাত্রনেতা বিপ্লব দাশগুপ্ত। খবর প্রেস বিজ্ঞপ্তির।
সূত্রঃ দৈনিক আজাদী
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন