মানিক চৌধুরীর মরণোত্তর সন্মাননা গ্রহণ করছেন দীপংকর চৌধুরী কাজল ২৭ ২ ২০১১ইং

শনিবার, ১৭ মার্চ, ২০১২

বইমেলায় ডেপুটি স্পিকার

09 Feb 2012   06:38:01 PM   Thursday BdST E-mail this

বইমেলায় ডেপুটি স্পিকার


এম জে ফেরদৌস, মহিউদ্দিন মাহমুদ
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বইমেলা থেকে: ‘মানিক চৌধুরী: স্মাধীনতা সংগ্রামের বিস্মৃত নায়ক’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করতে বইমেলায় আসেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এম শওকত আলী।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বইমেলার নজরুল মঞ্চে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘স্বাধীনতা সংগ্রামে মানিক চৌধুরীর অনবদ্য ভূমিকা রয়েছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত নায়কদের অন্যতম।’

বইটি সম্পাদনা  করেছেন নাসির উদ্দিন চৌধুরী। প্রকাশিত হয়েছে হাক্কানী পাবলিশার্স থেকে।
প্রধানমন্ত্রীর বাণী সম্বলিত এ বইটিতে স্মৃতিচারণ করেছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বসহ দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। স্বাধীনতা সংগ্রামে মানিক চৌধুরীর অবিস্মরণীয় ভূমিকার কথা লেখকরা বর্ণনা করেছেন বইটিতে।

বাংলাদেশ সময়: ১৮২৮ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০১২


 সূত্রঃ দৈনিক বাংলা ২৪ নিউজ

শুক্রবার, ১৬ মার্চ, ২০১২

ইতিহাসে উপেক্ষিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্তরা

ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মানিক চৌধুরী স্মরণে প্রকাশিত একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা জাতীয় বীর। অথচ তাঁরা ইতিহাসে উপেক্ষিত।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ পরিষদ গতকাল শুক্রবার বিকেলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রাঙ্গণে মানিক চৌধুরী-স্বাধীনতা সংগ্রামের বিস্মৃত নায়ক বইয়ের গ্রন্থপাঠ উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিচারপতি হাবিবুর রহমান বলেন, ইতিহাসে মানুষের উপেক্ষিত হওয়ার বহু দৃষ্টান্ত আছে। মানিক চৌধুরী তাঁদের একজন। মানুষের জন্য তাঁর সংগ্রাম স্বাধীনতার সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায়নি। স্বাধীনতার পরও তিনি লাঞ্ছিত হয়েছেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি কমান্ডার আবদুর রউফ বলেন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সঙ্গে জড়িত বহু লোক ইতিহাসে উপেক্ষিত। মানিক চৌধুরী ৫০ বছরের জীবনে ১১ বছর কারাগারে ছিলেন। এর মধ্যে বেশির ভাগ সময় কারাগারে ছিলেন দেশ স্বাধীন হওয়ার পর। স্বাধীন দেশে তাঁর মর্যাদা আমরা রাখতে পারিনি।
ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন বলেন, মানিক চৌধুরীসহ যাঁরা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁরা জাতীয় বীর। তাঁরা দেশের জন্য কিছু করতে চেয়েছিলেন। এই মামলার সঙ্গে জড়িত ৩৫ জনকে স্বাধীনতা পদক দেওয়া উচিত। গণঐক্য কমিটির আহ্বায়ক পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলেন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের হওয়ার আগেই মানিক চৌধুরী পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার হন। তিনি ব্যবসায়ী ছিলেন। ধনিকশ্রেণীর প্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও তিনি সাধারণ মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ফ্লাইট সার্জেন্ট (অব.) আবদুল জলিল, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব রণজিৎ বিশ্বাস, আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, বইটির সম্পাদক নাসির উদ্দিন চৌধুরী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু মো. দেলোয়ার হোসেন।



http://www.prothom-alo.com/detail/news/233240 

শনিবার, ১০ মার্চ, ২০১২

স্মারকগ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে মন্ত্রী আফছারুল আমীন।।জাতির সংকট উত্তরণে মানিক চৌধুরী আলো ছড়িয়েছিলেন

‘মানিক চৌধুরী :

Bookmark and Share

 স্বাধীনতা সংগ্রামের বিস্মৃত নায়ক’ স্মারকগ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা. আফছারুল আমীন এমপি বলেছেন, মানিক চৌধুরী ছিলেন বাঙালি জাতিসত্ত্বার বিকাশের বাতিঘর। জাতির সংকট উত্তরণে তিনি আলো ছড়িয়েছিলেন। পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচনে তিনি প্রেরণাদায়ী শক্তি। তিনি আমাদের অস্তিত্বের শিকড়।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে গতকাল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ারুল আজিম আরিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন সাবেক সিটি মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, মানিক চৌধুরী আমাদের সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ইন্ধনদাতা ও আর্থিক পৃষ্ঠপোষক। দুর্বিনীত দু:সময়ে তিনি আমাদের অবলম্বনের প্রতীক। পেশায় ব্যবসায়ী হলেও মনেপ্রাণে তিনি ছিলেন শৃঙ্খল মুক্তির দূত। আজিজ-জহুর-মানিক চট্টগ্রামে একটি আদর্শিক রাজনৈতিক বলয়ের নাম। অনুষ্ঠানে স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক নাসিরুদ্দিন চৌধুরীর স্বাগত বক্তব্যের পর বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাওলানা আবদুর রহমান, রাজনীতিক আশরাফ খান, সিডিএ’র চেয়ারম্যান আবদুছ ছালাম, সিপিবি নেতা কমরেড শাহ আলম, কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন, এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত, মোঃ হারিছ, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল আজিম প্রমুখ।
ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন প্রয়াত মানিক চৌধুরী পুত্র দীপঙ্কর চৌধুরী কাজল। প্রধান অতিথির ভাষণে ডা. আফছারুল আমীন বলেন, বাঙালি জাতি বিস্মৃতিশীল বলে অপবাদ রয়েছে। মানিক চৌধুরীর মত একজন কিংবদন্তি তুল্য বীর যদি বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যান তা হবে জাতির জন্য দুর্ভাগ্য।
তিনি আরো বলেন, ক্ষমতায় আজ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সরকার অধিষ্ঠিত। এই সরকার জনগণের আশা-আকাঙক্ষার মঞ্চ। আর এই আকাঙক্ষার সূতিকাসূত্র মানিক চৌধুরী। তাই বিস্মৃতির অতল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে আমাদের স্বার্থেই বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
তিনি মানিক চৌধুরী স্মৃতিকে চির জাগরুফ করে রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলে প্রয়াতের পরিবারকে আশ্বাস দেন। খবর বিজ্ঞপ্তির। 
 

মানিক চৌধুরী বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশের বাতিঘর: গণশিক্ষা মন্ত্রী

শনিবার, ১০ মার্চ ২০১২
মানিক চৌধুরী বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশের বাতিঘর: গণশিক্ষা মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘মানিক চৌধুরী: স্বাধীনতা সংগ্রামের বিস্মৃতনায়ক’ স্মারকগ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ডা. আফসারুল আমিন বলেছেন, মানিক চৌধুরী বাঙ্গালী জাতিসত্তার বিকাশের বাতিঘর। জাতির সংকট উত্তরণে তিনি আলো ছড়িয়েছেন। পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচনে তিনি প্রেরণা দিয়েছেন। তিনি আমাদের অস্তিত্বের শিকড়।
ক্যাপশন যুক্ত করুন


গতকাল বিকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক মিলনায়তনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ারুল আজিম আরিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ডা. আফসারুল আমিন আরো বলেন, মানিক চৌধুরী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর। তিনি বঙ্গবন্ধুকে প্রেরণা যোগাতেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন করেছেন। তিনি বলেন, বাঙ্গালী জাতিবিস্মৃতিশীল বলে অপবাদ রয়েছে। মানিক চৌধুরীর মত একজন কিংবদন্তিতুল্য বীর যদি বিস্মুতির অতলে হারিয়ে যান তা হবে জাতির জন্য দুর্ভাগ্য। তিনি বলেন, এখন ক্ষমতায় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি।  এ সরকার জনগণের আশা আকাঙ্খার মঞ্চ। সকলের উচিৎ এ সরকারকে সহায়তা করা।  অননষ্ঠানের আলোচক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, মানিক চৌধুরী আমদের আর্থিখভাবে সহায়তা করতেন। দুর্দিনে তিনি এগিয়ে আসতেন। তিনি বলেন, বর্তমানে রাজনীতি বিত্তশালীদের পকেটে ঢুকে গেছে। তাদের পকেট থেকে রাজনীতি বের করা যাবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। তিনি বলেন, ছাত্রলীগ তাদের ছবি দিয়ে পোস্টার ছাপিয়েছে। নেত্রীকে স্বাগতম জানিয়েছে। কিন্তু তারা এ টাকা পায় কোথায়। তাদেরতো আয় থাকার কথা নয়।  অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন আওয়োমী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আব্দুর রহমান, কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন, বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট রাণা দাশগুপ্ত, সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুচ ছালাম, রাজনীতিক আশরাফ খান,  সিপিবি নেতা কমরেড শাহ আলম, অধ্যাপক হোসাইন কবির, মো. হারিস, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল আজিম, এডভোকেট সুভাস চন্দ্র লালা প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এ গ্রন্থের সম্পাদক সাংবাদিক নাসিরুদ্দিন চৌধুরী। সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী অতিথিদের নিয়ে এ গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করেন। আলোচকরা বলেন, মানিক চৌধুরী ছিলেন একজন খাঁটি দেশ প্রেমিক। তিনি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন। তাঁর মধ্যে কোন লোভ ছিল না। তাঁরা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির অনৈক্য দেখে স্বাধীনতাবিরোধীরা ফনা তোলার চেষ্টা করছে। এ অনৈক্য দূর করে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাঁদের বিষ দাঁত ভেঙ্গে দিতে হবে।

স্মারকগ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে ডা. আফসারুল আমিন

মানিক চৌধুরী ছিলেন বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশের বাতিঘর
• নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্যাপশন যুক্ত করুন

‘মানিক চৌধুরী : স্বাধীনতা সংগ্রামের বিস্মৃত নায়ক’ স্মারকগ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা.আফসারুল আমীন বলেছেন, মানিক চৌধুরী বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশের বাতিঘর। জাতির সংকট উত্তরণে তিনি আলো ছড়িয়েছেন। পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচনে তিনি প্রেরণাদায়ী শিল্পী। তিনি আমাদের অস্তিত্বের শেকড়।
গতকাল বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.আনোয়ারুল আজিম আরিফের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সাংবাদিক নাসিরুদ্দিন চৌধুরী সম্পাদিত এ স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, মানিক চৌধুরী আমাদের সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ইন্ধনদাতা ও আর্থিক পৃষ্ঠপোষক। দুঃসময়ে তিনি ছিলেন  আমাদের অবলম্বনের প্রতীক। পেশায় ব্যবসায়ী হলেও মনে-প্রাণে তিনি ছিলেন শৃঙ্খল-মুক্তির দূত। আজিজ-জহুর-মানিক চট্টগ্রামে একটি আদর্শিক রাজনৈতিক বলয়ের নাম।
অনুষ্ঠানে স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক নাসিরুদ্দিন চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
আলোচক ছিলেন  আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাওলানা আবদুর রহমান, প্রবীণ রাজনীতিক আশরাফ খান,  সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, সিপিবি নেতা শাহআলম, কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন, অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত, মো.হারিছ, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল আজিম প্রমুখ।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন প্রয়াত মানিক চৌধুরীর পুত্র দীপঙ্কর চৌধুরী কাজল।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডা.আফছারুল আমীন বলেন, বাঙালি জাতি বিস্মৃতিপরায়ণ বলে অপবাদ রয়েছে। মানিক চৌধুরীর মত একজন কিংবদন্তীতুল্য বীর যদি বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যান তা হবে জাতির জন্য দুর্ভাগ্য।
তিনি আরো বলেন, ক্ষমতায় আজ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সরকার অধিষ্ঠিত। এই সরকার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মঞ্চ, আর এই আকাঙ্ক্ষার সূতিকাসূত্র মানিক চৌধুরী। তাই বিস্মৃতির অতল থেকে তাকে উদ্ধার করে আমাদের স্বার্থে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
তিনি মানিক চৌধুরীর স্মৃতিকে চিরজাগরূক করে রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলে প্রয়াতের পরিবারকে আশ্বাস দেন। 

সূত্রঃদৈনিক সুপ্রভাত