স্বাধীনতা
সংগ্রামের বিস্মৃত নায়ক’
স্মারকগ্রন্থের প্রকাশনা
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
ভাষণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
মন্ত্রী ডা.
আফছারুল আমীন
এমপি বলেছেন,
মানিক চৌধুরী
ছিলেন বাঙালি জাতিসত্ত্বার
বিকাশের বাতিঘর। জাতির সংকট
উত্তরণে তিনি আলো ছড়িয়েছিলেন।
পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচনে তিনি
প্রেরণাদায়ী শক্তি। তিনি
আমাদের অস্তিত্বের শিকড়।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে গতকাল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ারুল আজিম আরিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন সাবেক সিটি মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, মানিক চৌধুরী আমাদের সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ইন্ধনদাতা ও আর্থিক পৃষ্ঠপোষক। দুর্বিনীত দু:সময়ে তিনি আমাদের অবলম্বনের প্রতীক। পেশায় ব্যবসায়ী হলেও মনেপ্রাণে তিনি ছিলেন শৃঙ্খল মুক্তির দূত। আজিজ-জহুর-মানিক চট্টগ্রামে একটি আদর্শিক রাজনৈতিক বলয়ের নাম। অনুষ্ঠানে স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক নাসিরুদ্দিন চৌধুরীর স্বাগত বক্তব্যের পর বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাওলানা আবদুর রহমান, রাজনীতিক আশরাফ খান, সিডিএ’র চেয়ারম্যান আবদুছ ছালাম, সিপিবি নেতা কমরেড শাহ আলম, কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন, এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত, মোঃ হারিছ, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল আজিম প্রমুখ।
ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন প্রয়াত মানিক চৌধুরী পুত্র দীপঙ্কর চৌধুরী কাজল। প্রধান অতিথির ভাষণে ডা. আফছারুল আমীন বলেন, বাঙালি জাতি বিস্মৃতিশীল বলে অপবাদ রয়েছে। মানিক চৌধুরীর মত একজন কিংবদন্তি তুল্য বীর যদি বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যান তা হবে জাতির জন্য দুর্ভাগ্য।
তিনি আরো বলেন, ক্ষমতায় আজ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সরকার অধিষ্ঠিত। এই সরকার জনগণের আশা-আকাঙক্ষার মঞ্চ। আর এই আকাঙক্ষার সূতিকাসূত্র মানিক চৌধুরী। তাই বিস্মৃতির অতল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে আমাদের স্বার্থেই বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
তিনি মানিক চৌধুরী স্মৃতিকে চির জাগরুফ করে রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলে প্রয়াতের পরিবারকে আশ্বাস দেন। খবর বিজ্ঞপ্তির।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে গতকাল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ারুল আজিম আরিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন সাবেক সিটি মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, মানিক চৌধুরী আমাদের সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ইন্ধনদাতা ও আর্থিক পৃষ্ঠপোষক। দুর্বিনীত দু:সময়ে তিনি আমাদের অবলম্বনের প্রতীক। পেশায় ব্যবসায়ী হলেও মনেপ্রাণে তিনি ছিলেন শৃঙ্খল মুক্তির দূত। আজিজ-জহুর-মানিক চট্টগ্রামে একটি আদর্শিক রাজনৈতিক বলয়ের নাম। অনুষ্ঠানে স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক নাসিরুদ্দিন চৌধুরীর স্বাগত বক্তব্যের পর বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাওলানা আবদুর রহমান, রাজনীতিক আশরাফ খান, সিডিএ’র চেয়ারম্যান আবদুছ ছালাম, সিপিবি নেতা কমরেড শাহ আলম, কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন, এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত, মোঃ হারিছ, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল আজিম প্রমুখ।
ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন প্রয়াত মানিক চৌধুরী পুত্র দীপঙ্কর চৌধুরী কাজল। প্রধান অতিথির ভাষণে ডা. আফছারুল আমীন বলেন, বাঙালি জাতি বিস্মৃতিশীল বলে অপবাদ রয়েছে। মানিক চৌধুরীর মত একজন কিংবদন্তি তুল্য বীর যদি বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যান তা হবে জাতির জন্য দুর্ভাগ্য।
তিনি আরো বলেন, ক্ষমতায় আজ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সরকার অধিষ্ঠিত। এই সরকার জনগণের আশা-আকাঙক্ষার মঞ্চ। আর এই আকাঙক্ষার সূতিকাসূত্র মানিক চৌধুরী। তাই বিস্মৃতির অতল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে আমাদের স্বার্থেই বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
তিনি মানিক চৌধুরী স্মৃতিকে চির জাগরুফ করে রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলে প্রয়াতের পরিবারকে আশ্বাস দেন। খবর বিজ্ঞপ্তির।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন