ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মানিক
চৌধুরী স্মরণে প্রকাশিত একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন,
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা জাতীয় বীর। অথচ তাঁরা ইতিহাসে
উপেক্ষিত।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ পরিষদ গতকাল শুক্রবার বিকেলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রাঙ্গণে মানিক চৌধুরী-স্বাধীনতা সংগ্রামের বিস্মৃত নায়ক বইয়ের গ্রন্থপাঠ উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিচারপতি হাবিবুর রহমান বলেন, ইতিহাসে মানুষের উপেক্ষিত হওয়ার বহু দৃষ্টান্ত আছে। মানিক চৌধুরী তাঁদের একজন। মানুষের জন্য তাঁর সংগ্রাম স্বাধীনতার সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায়নি। স্বাধীনতার পরও তিনি লাঞ্ছিত হয়েছেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি কমান্ডার আবদুর রউফ বলেন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সঙ্গে জড়িত বহু লোক ইতিহাসে উপেক্ষিত। মানিক চৌধুরী ৫০ বছরের জীবনে ১১ বছর কারাগারে ছিলেন। এর মধ্যে বেশির ভাগ সময় কারাগারে ছিলেন দেশ স্বাধীন হওয়ার পর। স্বাধীন দেশে তাঁর মর্যাদা আমরা রাখতে পারিনি।
ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন বলেন, মানিক চৌধুরীসহ যাঁরা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁরা জাতীয় বীর। তাঁরা দেশের জন্য কিছু করতে চেয়েছিলেন। এই মামলার সঙ্গে জড়িত ৩৫ জনকে স্বাধীনতা পদক দেওয়া উচিত। গণঐক্য কমিটির আহ্বায়ক পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলেন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের হওয়ার আগেই মানিক চৌধুরী পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার হন। তিনি ব্যবসায়ী ছিলেন। ধনিকশ্রেণীর প্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও তিনি সাধারণ মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ফ্লাইট সার্জেন্ট (অব.) আবদুল জলিল, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব রণজিৎ বিশ্বাস, আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, বইটির সম্পাদক নাসির উদ্দিন চৌধুরী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু মো. দেলোয়ার হোসেন।
http://www.prothom-alo.com/detail/news/233240
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ পরিষদ গতকাল শুক্রবার বিকেলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রাঙ্গণে মানিক চৌধুরী-স্বাধীনতা সংগ্রামের বিস্মৃত নায়ক বইয়ের গ্রন্থপাঠ উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিচারপতি হাবিবুর রহমান বলেন, ইতিহাসে মানুষের উপেক্ষিত হওয়ার বহু দৃষ্টান্ত আছে। মানিক চৌধুরী তাঁদের একজন। মানুষের জন্য তাঁর সংগ্রাম স্বাধীনতার সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায়নি। স্বাধীনতার পরও তিনি লাঞ্ছিত হয়েছেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি কমান্ডার আবদুর রউফ বলেন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সঙ্গে জড়িত বহু লোক ইতিহাসে উপেক্ষিত। মানিক চৌধুরী ৫০ বছরের জীবনে ১১ বছর কারাগারে ছিলেন। এর মধ্যে বেশির ভাগ সময় কারাগারে ছিলেন দেশ স্বাধীন হওয়ার পর। স্বাধীন দেশে তাঁর মর্যাদা আমরা রাখতে পারিনি।
ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন বলেন, মানিক চৌধুরীসহ যাঁরা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁরা জাতীয় বীর। তাঁরা দেশের জন্য কিছু করতে চেয়েছিলেন। এই মামলার সঙ্গে জড়িত ৩৫ জনকে স্বাধীনতা পদক দেওয়া উচিত। গণঐক্য কমিটির আহ্বায়ক পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলেন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের হওয়ার আগেই মানিক চৌধুরী পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার হন। তিনি ব্যবসায়ী ছিলেন। ধনিকশ্রেণীর প্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও তিনি সাধারণ মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ফ্লাইট সার্জেন্ট (অব.) আবদুল জলিল, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব রণজিৎ বিশ্বাস, আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, বইটির সম্পাদক নাসির উদ্দিন চৌধুরী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু মো. দেলোয়ার হোসেন।
http://www.prothom-alo.com/detail/news/233240
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন